Monday, March 19, 2012

চাকরি চাইলে সতর্ক হোন ফেসবুকে!

সামাজিক যোগাযোগের নেটওয়ার্কে দেওয়া তথ্য এখন চাকরিপ্রার্থীদের ক্ষেত্রে বুমেরাং হয়ে উঠেছে! সম্প্রতি ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রের ৩১৮টি চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে জরিপ চালিয়ে দেখা গেছে, ইন্টারভিউ বা সাক্ষাত্কারের সময়েই বাদ পড়ার কারণ হিসেবে কাজ করছে প্রার্থীর ফেসবুক, লিংকডইন প্রোফাইল বা অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে তাঁর দেওয়া তথ্য।

গ্লোবাল পাবলিক রিলেশন নেটওয়ার্ক ইউরোকম ওয়ার্ল্ডওয়াইড ও যুক্তরাজ্যের পাবলিক রিলেশন সংস্থা সিক্স ডিগ্রিজ সম্প্রতি প্রযুক্তির বাজারে চাকরি নিয়ে বার্ষিক জরিপ চালিয়েছিল। জরিপে দেখা গেছে, প্রতি পাঁচজনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাই চাকরিপ্রার্থীকে তাঁর সামাজিক যোগাযোগের প্রোফাইল দেখে প্রত্যাখ্যান করেন। এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে টিওআই।
প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা তাই চাকরির সন্ধানীদের নিজের ক্যারিয়ারের কথা ভেবে ফেসবুক বা সামাজিক যোগাযোগের অন্যান্য ওয়েবসাইটের প্রোফাইলে ভেবেচিন্তে তথ্য দেওয়ার পরামর্শই দিয়েছেন।
ইউরোকম ওয়ার্ল্ডওয়াইডের নেটওয়ার্ক পরিচালক ম্যাডস ক্রিস্টেনসেন এ প্রসঙ্গে বলেছেন, ‘চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানপ্রধানদের অনেকেই চাকরির আবেদনকারীর তথ্য পাওয়ার ডিজিটাল সূত্রটি জানেন। সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য ঘেঁটেই তাঁরা এখন যাচাই করে নেন। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটগুলোতে আমরা যে তথ্য দিচ্ছি, তা কয়েক বছর পর আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।’
ইউরোকম সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালের বার্ষিক জরিপে দেখা গিয়েছিল, সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটগুলোতে চাকরিপ্রত্যাশীদের প্রোফাইল যাচাই করে ৪০ শতাংশ প্রতিষ্ঠান। এ বছর জরিপে অংশগ্রহণকারী অর্ধেক প্রযুক্তি নির্বাহী জানিয়েছেন, আগামী এক বছরের জন্য তাদের প্রতিষ্ঠান সামাজিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে ব্যয় বাড়িয়েছে।
চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো যে সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটগুলো ব্যবহার করে, তার মধ্যে শীর্ষে রয়েছে লিংকডইন। এরপর টুইটার, ফেসবুক ও ইউটিউব।