দুঃসাহসিক এক অভিযানের পরিকল্পনা করেছেন অস্ট্রিয়ান স্কাইড্রাইভার ফেলিক্স বমগার্টনার। এক খবরে ডেইলি মেইল জানিয়েছে, এক লাখ ২০ হাজার ফুট (২৩ মাইল) উঁচু থেকে শূন্যে লাফিয়ে পড়ার পরিকল্পনা করেছেন তিনি।
সবচেয়ে উঁচু থেকে লাফ দেওয়ার রেকর্ড ভাঙতে এই পরিকল্পনা নিয়েছেন ৪৩ বছর বয়সী অস্ট্রীয় এই নাগরিক। এর আগে ১৯৬০ সালে জো কিটিনজার নামের যুক্তরাষ্ট্রের এক বিমানচালক এক লাখ দুই হাজার ৮০০ ফুট উঁচু থেকে লাফ দিয়ে যে রেকর্ড গড়েছিলেন, তা এখনো কেউ ভাঙতে পারেনি।
ডেইলি মেইল জানায়, ফেলিক্স তাঁর এই প্রকল্পের নাম দিয়েছেন ‘রেড বুল স্ট্রাটোস’। এই প্রকল্পে হিলিয়াম বেলুনের সঙ্গে একটি ক্যাপসুল বেঁধে প্রায় ২৩ মাইল উচ্চতায় পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। এ উচ্চতায় পৌঁছানোর পর বিশেষ ধরনের স্পেস শুট পরা ফেলিক্স লাফ দিয়ে নিচে পড়বেন। গবেষকেরা হিসাব করে দেখেছেন, লাফ দেওয়ার ৩৫ সেকেন্ডের মধ্যে ফেলিক্স শব্দের চেয়ে দ্রুতগতিতে নিচের দিকে পড়তে থাকবেন। তবে মাটিতে পড়ার আগে তিনি তাঁর সঙ্গে থাকা প্যারাশুট খুলে দিয়ে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করবেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নাসার বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ফেলিক্স এই প্রকল্পের জন্য সাত বছর ধরে প্রস্তুতি নিয়েছেন। এর আগে ৭১ হাজার ৫৮১ ফুট উঁচু থেকে লাফ দিয়ে রেকর্ড ভাঙার প্রস্তুতি সেরে রেখেছেন তিনি। তাই সবচেয়ে উঁচু স্থান থেকে লাফ দেওয়ার এই রেকর্ড ভাঙা তাঁর পক্ষে সম্ভব হতে পারে। তবে গবেষকেরা আশঙ্কাও করছেন যে লাফিয়ে পড়ার ফলে ফেলিক্সের শরীরকে প্রচুর চাপ সহ্য করতে হবে। এতে তাঁর স্নায়ুতন্ত্র অসাড় হয়ে যেতে পারে, চোখ দিয়ে রক্ত পড়তে পারে। এমনকি নানা রকম শারীরিক সমস্যায় পড়তে পারেন তিনি। তবে ফেলিক্স কোনোকিছু গ্রাহ্য করতে নারাজ। তাঁর ভাষ্য, এটা একটা মহাকাশ মিশন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সফলতার বিষয়ে আশাবাদী তিনি।
সবচেয়ে উঁচু থেকে লাফ দেওয়ার রেকর্ড ভাঙতে এই পরিকল্পনা নিয়েছেন ৪৩ বছর বয়সী অস্ট্রীয় এই নাগরিক। এর আগে ১৯৬০ সালে জো কিটিনজার নামের যুক্তরাষ্ট্রের এক বিমানচালক এক লাখ দুই হাজার ৮০০ ফুট উঁচু থেকে লাফ দিয়ে যে রেকর্ড গড়েছিলেন, তা এখনো কেউ ভাঙতে পারেনি।
ডেইলি মেইল জানায়, ফেলিক্স তাঁর এই প্রকল্পের নাম দিয়েছেন ‘রেড বুল স্ট্রাটোস’। এই প্রকল্পে হিলিয়াম বেলুনের সঙ্গে একটি ক্যাপসুল বেঁধে প্রায় ২৩ মাইল উচ্চতায় পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। এ উচ্চতায় পৌঁছানোর পর বিশেষ ধরনের স্পেস শুট পরা ফেলিক্স লাফ দিয়ে নিচে পড়বেন। গবেষকেরা হিসাব করে দেখেছেন, লাফ দেওয়ার ৩৫ সেকেন্ডের মধ্যে ফেলিক্স শব্দের চেয়ে দ্রুতগতিতে নিচের দিকে পড়তে থাকবেন। তবে মাটিতে পড়ার আগে তিনি তাঁর সঙ্গে থাকা প্যারাশুট খুলে দিয়ে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করবেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নাসার বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ফেলিক্স এই প্রকল্পের জন্য সাত বছর ধরে প্রস্তুতি নিয়েছেন। এর আগে ৭১ হাজার ৫৮১ ফুট উঁচু থেকে লাফ দিয়ে রেকর্ড ভাঙার প্রস্তুতি সেরে রেখেছেন তিনি। তাই সবচেয়ে উঁচু স্থান থেকে লাফ দেওয়ার এই রেকর্ড ভাঙা তাঁর পক্ষে সম্ভব হতে পারে। তবে গবেষকেরা আশঙ্কাও করছেন যে লাফিয়ে পড়ার ফলে ফেলিক্সের শরীরকে প্রচুর চাপ সহ্য করতে হবে। এতে তাঁর স্নায়ুতন্ত্র অসাড় হয়ে যেতে পারে, চোখ দিয়ে রক্ত পড়তে পারে। এমনকি নানা রকম শারীরিক সমস্যায় পড়তে পারেন তিনি। তবে ফেলিক্স কোনোকিছু গ্রাহ্য করতে নারাজ। তাঁর ভাষ্য, এটা একটা মহাকাশ মিশন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সফলতার বিষয়ে আশাবাদী তিনি।
চলতি বছরের জুলাই বা অক্টোবরে ফেলিক্স এই ঝুঁকিপূর্ণ লাফ দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছেন।
রেকর্ড ভাঙার এই লাফের ঘটনা পুরো বিশ্বকে জানাতে তাঁর বিশেষ স্পেস স্যুটের সঙ্গে ক্যামেরা, কম্পিউটার যুক্ত করার পরিকল্পনা করেছেন তিনি। এসব যন্ত্র সুপারসনিক গতিতে মাটিতে পড়ার প্রতি মুহূর্তের তথ্য সংরক্ষণ করে রাখবে।
রেকর্ড ভাঙার এই লাফের ঘটনা পুরো বিশ্বকে জানাতে তাঁর বিশেষ স্পেস স্যুটের সঙ্গে ক্যামেরা, কম্পিউটার যুক্ত করার পরিকল্পনা করেছেন তিনি। এসব যন্ত্র সুপারসনিক গতিতে মাটিতে পড়ার প্রতি মুহূর্তের তথ্য সংরক্ষণ করে রাখবে।